ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ADVERTISEMENT AREA

নাগরপুরে মুক্তিপণ না পেয়ে কলেজছাত্রকে হত্যা, মাটিচাপা মরদেহ উদ্ধার

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 26, 2026 ইং
ছবির ক্যাপশন:
আপন আর্য্য,টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে শামিম (২৩) নামে এক কলেজছাত্রকে মুক্তিপণের দাবিতে অপহরণের পর শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। হত্যার পর তার মরদেহ বস্তাবন্দি করে বাড়ির পাশে মাটিচাপা দিয়ে রাখা হয়েছিল। ঘটনার চার দিন পর পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় অনিক (২৮) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নিহত শামিম উপজেলার ভাদ্রা ইউনিয়নের পং ভাদ্রা গ্রামের বিল্লাল মল্লিকের ছেলে। তিনি সাইক ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজির (বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট) শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে ভিকন ভাদ্রা গ্রামের আব্দুল জব্বারের ছেলে অনিক মোবাইল ফোনে শামিমকে ডেকে নেন। এরপর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন শামিম। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান না পেয়ে গত রোববার (২৩ আগস্ট) নাগরপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন তার বাবা বিল্লাল মল্লিক।

পুলিশ জানায়, শামিমের মোবাইল ফোনের কললিস্ট ও অন্যান্য তথ্যের সূত্র ধরে সোমবার (২৪ আগস্ট) রাতে অনিককে তার নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি শামিমকে গলায় রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার পর মরদেহটি নিজের বাড়ির পাশে মাটির নিচে পুঁতে রাখার কথা জানান বলে দাবি পুলিশের।
পরে অনিকের কাছ থেকে শামিমের মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। 

তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে মাটি খুঁড়ে বস্তাবন্দি অবস্থায় শামিমের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহতের বাবা বিল্লাল মল্লিক অভিযোগ করে বলেন, শামিমের মোবাইল ফোন ব্যবহার করে তার বাড়িতে কল দিয়ে ৩০ মিনিটের মধ্যে দেড় লাখ টাকা পাঠাতে বলা হয়েছিল। এরপর ফোনটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

সন্তান হারিয়ে বিল্লাল মল্লিক কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান। এদিকে শামিমের মা শাহানারা আক্তারের কান্না ও আহাজারিতে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, মাটি খুঁড়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা করেছেন। অনিক নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। গ্রেপ্তার অনিক মাদকাসক্ত ও মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত বলে পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে। হত্যাকাণ্ডে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত অব্যাহত রয়ে

নিউজটি আপডেট করেছেন : দেশ বাংলা টিভি ডেক্স

কমেন্ট বক্স
মৃত্যু চিন্তাই মানুষকে সত্যিকারের সৎ মানুষ করে তুলে
আমি ত আমিই,  আমার যত্ন নিলেই ত সব হয়ে যায়। 
আমি কে?
‎হয়তো, আমি কোনো নাম নয়, কোনো দেহ নয়, কোনো পরিচয়ও নয়, বরং এক অনন্ত চেতনার ক্ষুদ্র প্রকাশ,
যা,জন্ম,মৃত্যু,লাভ,ক্ষতি,সুখ,দুঃখ,সবকিছুর ঊর্ধ্বে থেকে নিজেকেই খুঁজে বেড়ায়।