ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ADVERTISEMENT AREA
ADVERTISEMENT AREA

সুন্দরবনে প্রবেশের অনুমতিপত্র নবায়নে রাজস্বের চেয়ে ৪০ গুণ ঘুষ আদায়

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Sep 17, 2024 ইং
সুন্দরবনে প্রবেশের অনুমতিপত্র নবায়নে রাজস্বের চেয়ে ৪০ গুণ ঘুষ আদায় ছবির ক্যাপশন: সুন্দরবনে প্রবেশের অনুমতিপত্র নবায়নে রাজস্বের চেয়ে ৪০ গুণ ঘুষ আদায়
ADVERTISEMENT AREA
সুন্দরবনের বনজীবী জেলেদের নৌকা নিয়ে বনে প্রবেশের অনুমতিপত্র (বিএলসি) নবায়ন করতে দায়িত্বরত বন কর্মকর্তারা সরকার নির্ধারিত রাজস্বের বাইরে ঘুষ আদায় করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বনকর্মীদের হয়রানি থেকে বাঁচতে এবং নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার ও কাঁকড়া ধরার অলিখিত অনুমতি পেতে জেলেরা বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়ে বনে প্রবেশ করেন।

বনজীবী জেলেরা বলছেন, অনুমতিপত্র নবায়নে সরকার প্রতি ২৫ মণ ধারণক্ষমতার একটি নৌকার জন্য ১৫ টাকা পর্যন্ত রাজস্ব নির্ধারণ করে দিয়েছে। কিন্তু বন বিভাগের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা তাঁদের কাছ থেকে ৬০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করছেন, যা সরকার নির্ধারিত রাজস্বের কমপক্ষে ৪০ গুণ বেশি।

বনজীবীরা বলেন, সুন্দরবনের কালাবগী স্টেশন কর্মকর্তা ইস্তিয়াক রহমান, নলীয়ান স্টেশন কর্মকর্তা তানজিলুর রহমান, বানিয়াখালী স্টেশন কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম, কোবাদক স্টেশন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন, ঢাংমারী স্টেশন কর্মকর্তা মোহসীন আলী প্রতিটি অনুমতিপত্র থেকে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ আদায় করছেন। আর কাশিয়াবাদ স্টেশন কর্মকর্তা নির্মল কুমার প্রতিটি অনুমতিপত্র থেকে ৬০০ টাকা ঘুষ আদায় করছেন।সুন্দরবনের বনজীবী জেলেদের নৌকা নিয়ে বনে প্রবেশের অনুমতিপত্র (বিএলসি) নবায়ন করতে দায়িত্বরত বন কর্মকর্তারা সরকার নির্ধারিত রাজস্বের বাইরে ঘুষ আদায় করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বনকর্মীদের হয়রানি থেকে বাঁচতে এবং নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার ও কাঁকড়া ধরার অলিখিত অনুমতি পেতে জেলেরা বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়ে বনে প্রবেশ করেন।

বনজীবী জেলেরা বলছেন, অনুমতিপত্র নবায়নে সরকার প্রতি ২৫ মণ ধারণক্ষমতার একটি নৌকার জন্য ১৫ টাকা পর্যন্ত রাজস্ব নির্ধারণ করে দিয়েছে। কিন্তু বন বিভাগের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা তাঁদের কাছ থেকে ৬০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করছেন, যা সরকার নির্ধারিত রাজস্বের কমপক্ষে ৪০ গুণ বেশি।

বনজীবীরা বলেন, সুন্দরবনের কালাবগী স্টেশন কর্মকর্তা ইস্তিয়াক রহমান, নলীয়ান স্টেশন কর্মকর্তা তানজিলুর রহমান, বানিয়াখালী স্টেশন কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম, কোবাদক স্টেশন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন, ঢাংমারী স্টেশন কর্মকর্তা মোহসীন আলী প্রতিটি অনুমতিপত্র থেকে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ আদায় করছেন। আর কাশিয়াবাদ স্টেশন কর্মকর্তা নির্মল কুমার প্রতিটি অনুমতিপত্র থেকে ৬০০ টাকা ঘুষ আদায় করছেন।
ADVERTISEMENT AREA

নিউজটি আপডেট করেছেন : Tushar Admin

কমেন্ট বক্স
ঠিক কত পদে ট্রাম্প-মেলানিয়া দম্পতিকে আপ্যায়ন করা হবে, তা কেউ প্রকাশ করেনি। তবে ভারতের গণমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, নৈশভোজে তিনটি পর্ব থাকবে। হালকা মুখরোচক পদ আর পানীয় দিয়ে শুরু হবে খাবার পর্ব। এরপর পরিবেশন করা হবে মূল খাবার। শেষে থাকছে মিষ্টান্ন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্মানে আজ মঙ্গলবার নৈশভোজের আয়োজন করেছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। এতে মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পসহ প্রায় ১০০ অতিথি উপস্থিত থাকবেন। বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশের প্রেসিডেন্ট ও ফার্স্ট লেডিকে আপ্যায়ন করতে আয়োজনের কোনো কমতি নেই রাষ্ট্রপতি ভবনের রান্নাঘরে।