ঢাকা | বঙ্গাব্দ
🔴 প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে
📰 দেশ বাংলা টিভি নিউজে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে • অভিজ্ঞ ও আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন করার আহ্বান • 📞 যোগাযোগ: 01731-038330 • সীমিত সময়ের জন্য আবেদন গ্রহণ চলছে • আজই আবেদন করুন
📝 আবেদন করুন

যমজ তিন বোনের এক জন্মদিন, এক স্বপ্ন, এক সাফল্যট্যালেন্টপুল বৃত্তিতে বাজিমাত

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jul 13, 2026 ইং
যমজ তিন বোনের এক জন্মদিন, এক স্বপ্ন, এক সাফল্যট্যালেন্টপুল বৃত্তিতে বাজিমাত ছবির ক্যাপশন: যমজ তিন বোনের এক জন্মদিন, এক স্বপ্ন, এক সাফল্যট্যালেন্টপুল বৃত্তিতে বাজিমাত

স্টাফ রিপোর্টার, শাহ আলম :-
একই দিনে জন্ম, একসঙ্গে বেড়ে ওঠা, আর এবার একই সঙ্গে অর্জন করল অসাধারণ সাফল্য। কুড়িগ্রামের যমজ তিন বোন—তাবিয়া রহমান, তাহিয়া রহমান ও তাকিয়া রহমান ২০২৬ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় তিনজনই ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ করে পরিবার ও এলাকাজুড়ে আনন্দের আবহ তৈরি করেছে।

তিন বোনের জন্ম হয়েছিল ২৬ মার্চ, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে। কয়েক মিনিটের ব্যবধানে পৃথিবীর আলো দেখলেও ছোটবেলা থেকে তাদের জীবন কেটেছে প্রায় একই ছন্দে। একসঙ্গে খেলাধুলা, পড়াশোনা, খাওয়া-দাওয়া ও বেড়ানো সবকিছুই ছিল ভাগাভাগি করে।

তবে বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সময় কিছুটা ভিন্নতা আসে। বড় বোন তাবিয়া রহমান ভর্তি হয় কুড়িগ্রাম সদরের অর্জুনডারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। অন্যদিকে তাহিয়া ও তাকিয়া ভর্তি হয় কুড়িগ্রাম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাথমিক শাখায়। স্কুল আলাদা হলেও তাদের লক্ষ্য ছিল এক ভালো ফলাফল অর্জন।

সেই লক্ষ্যেই সফল হয়েছে তিন বোন। তাবিয়া অর্জুনডারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে এবং তাহিয়া ও তাকিয়া কুড়িগ্রাম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাথমিক শাখা থেকে এবার ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। বর্তমানে তাবিয়া বর্ডার গার্ড উচ্চ বিদ্যালয়ে এবং অপর দুই বোন কুড়িগ্রাম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণিতে অধ্যয়ন করছে।

কুড়িগ্রাম পৌর এলাকার নাজিরা টেক্সটাইল মোড় গ্রামের বাসিন্দা তিন বোনের বাবা তারিকুর রহমান তারিক, পেশায় আইনজীবী (অতিরিক্ত পিপি)। মা শাহিনা আক্তার একজন গৃহিণী। তিন মেয়েকেই ঘিরে তাদের পরিবারের স্বপ্ন ও প্রত্যাশা।

ফল প্রকাশের পর বাবা তারিকুর রহমান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে লেখেন, তাঁর তিন কন্যাই পঞ্চম শ্রেণিতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। তিনি মেয়েদের জন্য উত্তম জ্ঞান ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দোয়া কামনা করেন এবং এই সাফল্যের পেছনে তাদের মায়ের অক্লান্ত পরিশ্রমের কথাও উল্লেখ করেন।

তিন বোনের স্বপ্নও এক। পরিবারে বাবা, চাচা ও প্রয়াত দাদা আইনজীবী হলেও তারা বড় হয়ে চিকিৎসক হতে চায়। তাদের একমাত্র ফুফুর পথ অনুসরণ করে মেডিকেলে পড়াই এখন তাদের লক্ষ্য।

তাহিয়া জানায়, নিয়মিত পড়াশোনা, নিজেরা একে অপরকে সহযোগিতা করা এবং বাবা-মায়ের উৎসাহই এই সাফল্যের মূল ভিত্তি। একই কথা জানায় তাবিয়া ও তাকিয়াও। তারা বলেছে, ভবিষ্যতে আরও মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করে দেশের সেবায় একজন দক্ষ চিকিৎসক হতে চায়।

মা শাহিনা আক্তার বলেন, তিন মেয়ের ফল নিয়ে কিছুটা দুশ্চিন্তা ছিল। তবে আল্লাহর রহমতে তিনজনই একইভাবে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পাওয়ায় পরিবারের আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। তিনি সবার কাছে মেয়েদের জন্য দোয়া কামনা করেন।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্যমতে, এবার কুড়িগ্রাম জেলায় সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয় মিলিয়ে ৬ হাজার ৬১৭ জন শিক্ষার্থী প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৪৭০ জন ট্যালেন্টপুলে এবং ৫৭৫ জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি অর্জন করেছে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : দেশ বাংলা টিভি ডেক্স

কমেন্ট বক্স
মৃত্যু চিন্তাই মানুষকে সত্যিকারের সৎ মানুষ করে তুলে
আমি ত আমিই,  আমার যত্ন নিলেই ত সব হয়ে যায়। 
আমি কে?
‎হয়তো, আমি কোনো নাম নয়, কোনো দেহ নয়, কোনো পরিচয়ও নয়, বরং এক অনন্ত চেতনার ক্ষুদ্র প্রকাশ,
যা,জন্ম,মৃত্যু,লাভ,ক্ষতি,সুখ,দুঃখ,সবকিছুর ঊর্ধ্বে থেকে নিজেকেই খুঁজে বেড়ায়।