
ঢাকা, ২৭ জুন: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফরে তিনি বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর মতে, বিদেশ সফরের মূল লক্ষ্য ছিল দেশের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক স্বার্থ এগিয়ে নেওয়া এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করা।
জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর উপলক্ষে উত্থাপিত ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার পর তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশের জনগণ সরকারের ওপর যে দায়িত্ব অর্পণ করেছে, সেই দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবেই বিদেশ সফরে বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে।
তিনি বলেন, সফরের মাধ্যমে অর্জিত যেকোনো ইতিবাচক ফলাফল ব্যক্তিগত নয়; বরং তা বাংলাদেশের এবং দেশের মানুষের অর্জন। এ সময় তিনি “বাংলাদেশ প্রথম” নীতির কথা উল্লেখ করে বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের স্বার্থ রক্ষাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
সংসদে আলোচনায় অংশ নিয়ে বিভিন্ন দলের সদস্যরা সফরটিকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক কূটনীতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন। আলোচনায় বলা হয়, মালয়েশিয়া ও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার হলে বিনিয়োগ, বাণিজ্য, কর্মসংস্থান এবং অবকাঠামো উন্নয়নের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর ছয় দিনের সফরে দুই দেশের সঙ্গে একাধিক সমঝোতা স্মারক ও সহযোগিতা চুক্তি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন, শ্রমবাজার সম্প্রসারণ এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে।
সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর বক্তব্য দিতে গিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের প্রতিনিধিরা ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলোর বাস্তবায়ন ও স্বচ্ছতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, সফরের ফলাফল দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও বৈদেশিক সম্পর্ক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।