টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের কুইজবাড়ী গ্রামের ব্যবসায়ী মাসুদ রানা হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মা-ছেলেসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
শনিবার (১১ জুলাই) টাঙ্গাইল সদর থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, হনুফা বেগম (৩৮), তার ছেলে হুমায়ুন (২২), নূর মোহাম্মদ (২৬), বাবু (২৮) ও আয়নাল হক (৫৫)। তারা সবাই টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কুইজবাড়ী এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, ঘটনার তদন্তে প্রথমে সন্দেহভাজন হিসেবে হনুফা বেগমকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করলে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বাকি চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ওসি জানান, শুক্রবার (১০ জুলাই) গ্রেপ্তার পাঁচজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ছাড়া হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি হাতুড়িও উদ্ধার করেছে পুলিশ।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, ব্যবসায়ী মাসুদ রানার সঙ্গে এক নারীর পরকীয়া সম্পর্ককে কেন্দ্র করেই এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
উল্লেখ্য, গত ৫ জুলাই সকালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের কুইজবাড়ী এলাকা থেকে মাসুদ রানার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি কুইজবাড়ী গ্রামের লাল মাহমুদের ছেলে।
দেশ বাংলা টিভি ডেক্স