এশিয়ার বিভিন্ন দেশে টানা ভারী বৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় জনজীবন ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে। বাংলাদেশ, ভারত, চীন, পাকিস্তান, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং আফগানিস্তানসহ একাধিক দেশে হাজারো মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে চরম আবহাওয়ার ঘটনা আরও ঘন ঘন ও তীব্র হচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন।
বাংলাদেশে সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণের ফলে দেশের কয়েকটি অঞ্চলে জলাবদ্ধতা ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম অঞ্চলে অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের কারণে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি জোরদার করেছে।
আবহাওয়াবিদদের মতে, চলতি মৌসুমে অতিবৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। নদী তীরবর্তী ও পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারী মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দুর্যোগ মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন, উদ্ধারকারী সংস্থা ও স্বেচ্ছাসেবীদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে বৃষ্টিপাতের ধরন পরিবর্তিত হচ্ছে এবং এর ফলে বন্যা, ভূমিধস ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি বাড়ছে। দীর্ঘমেয়াদে অবকাঠামো উন্নয়ন, আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা এবং পরিবেশবান্ধব নীতিমালা বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
দেশ বাংলা টিভি ডেস্ক