স্টাফ রিপোর্টার:
ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে পিকআপভ্যান, মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে দুই নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চারজন।
তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে পঞ্চগড়-ঠাকুরগাঁও মহাসড়কের ভূল্লী উপজেলার কচুবাড়ী পোস্ট অফিস পাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন ভূল্লী উপজেলার বড় বালিয়া এলাকার শাহজাহান আলীর স্ত্রী আনোয়ারা বেগম (৪৫) এবং একই এলাকার লাইলী বেগম।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন মোটরসাইকেলচালক লক্ষ্মীরহাট বাজার এলাকার ইদ্রিস আলীর ছেলে হারুনুর রশিদ (৩৮), অটোরিকশাচালক কিসমত কেশুরবাড়ি এলাকার হাফিজুল ইসলামের ছেলে সাহিরুল ইসলাম (২৩), বড় বালিয়া এলাকার জরিনা (৪০) এবং ঠিকানা অজ্ঞাত শফিকুল ইসলাম।
পুলিশ ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সকালে একটি মালবাহী পিকআপ ঢাকা থেকে পঞ্চগড়ের দিকে যাচ্ছিল। কচুবাড়ী পোস্ট অফিস পাড়া এলাকায় পৌঁছানোর পর বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে পিকআপটির সংঘর্ষ হয়। এতে তিনটি যানবাহনই ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সেগুলোর চালক ও যাত্রীরা আহত হন।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয়রা ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করেন। পরে তাঁদের ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আনোয়ারা বেগম ও লাইলী বেগম মারা যান।
আহত হারুনুর রশিদ, সাহিরুল ইসলামসহ অন্যদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় থাকা কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর পিকআপচালক মো. হাবিবুর রহমানকে (২৪) আটক করেছে পুলিশ। তিনি নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার বিষকাকুড়ি গ্রামের মো. আব্দুল হামিদের ছেলে। দুর্ঘটনাকবলিত পিকআপসহ তাকে ভূল্লী থানায় নেওয়া হয়েছে।
ভূল্লী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী জানান, কচুবাড়ী এলাকায় পিকআপ, মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে দুই নারী নিহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার পর পিকআপচালককে গাড়িসহ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
দেশ বাংলা টিভি ডেক্স