ঢাকা | বঙ্গাব্দ
🔴 প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে
📰 দেশ বাংলা টিভি নিউজে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে • অভিজ্ঞ ও আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন করার আহ্বান • 📞 যোগাযোগ: 01731-038330 • সীমিত সময়ের জন্য আবেদন গ্রহণ চলছে • আজই আবেদন করুন
📝 আবেদন করুন

আশুলিয়ায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত বেড়ে - ৭

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Sep 21, 2026 ইং
আশুলিয়ায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত বেড়ে - ৭ ছবির ক্যাপশন: আশুলিয়ায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত বেড়ে - ৭
নিজস্ব প্রতিনিধি:
সাভারের আশুলিয়ায় পোশাক কারখানার চত্বরে গ্যাস সিলিন্ডারবাহী লরিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সাতজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১৪ থেকে ২০ জন। আহতদের কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে আশুলিয়ার জামগড়া চৌরাস্তা এলাকার প্রীতি গ্রুপের এফ অ্যান্ড এফ কারখানা প্রাঙ্গণে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, গ্যাস সিলিন্ডারবাহী একটি লরি থেকে সিলিন্ডার নামানোর সময় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এরপর দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশে থাকা যানবাহনে। একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কারখানার জানালা-দরজার কাচও ভেঙে যায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ডিইপিজেড ও জিরাবোসহ কয়েকটি ইউনিট কাজ করে। প্রায় দেড় থেকে দুই ঘণ্টার প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপর শুরু হয় পুড়ে যাওয়া যানবাহন ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি।

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানান, রাত ১১টার দিকে পুড়ে যাওয়া গাড়িগুলোতে তল্লাশি চালানোর সময় একটি গাড়ির ভেতর থেকে পাঁচটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহগুলো এতটাই পুড়ে গেছে যে তাৎক্ষণিকভাবে নারী না পুরুষ, সেটিও শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ফায়ার সার্ভিস তখনও ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালাচ্ছিল।

ওসি আরও জানান, অগ্নিকাণ্ডে প্রীতি গ্রুপের অন্তত ২০টি গাড়ি পুড়ে যাওয়ার ধারণা করা হচ্ছে।

এর আগে ঘটনাস্থলে জয়নব বেগম (৫৫) নামে এক নারী নিহত হন। তিনি কারখানার বাইরে দোকানের কাছে ছিলেন। বিস্ফোরণের সময় একটি সিলিন্ডার ছিটকে এসে তার মাথায় আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এ ছাড়া আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর নজরুল ইসলাম নামে এক সবজি বিক্রেতার মৃত্যু হয়। তিনি কারখানার সামনের রাস্তায় কাঁচামাল বিক্রি করতেন। এ দুইজনের মৃত্যুর পর পুড়ে যাওয়া গাড়ি থেকে আরও পাঁচটি মরদেহ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় সাতজনে।

আহতদের মধ্যে গ্যাস পরিবহনের গাড়িচালক নুর ইসলাম, কাঁচামাল বিক্রেতা মুখলেস মিয়া ও তার ছেলে সুজন মিয়াসহ কয়েকজনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। গুরুতর আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের ঢাকা জোন-৪-এর উপসহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কারখানার সামনে রাখা গ্যাস সিলিন্ডার বহনকারী লরিতে থাকা সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকেই আগুনের সূত্রপাত। তবে বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট কারণ তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানান, আগুন মূল কারখানা ভবনের ভেতরে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েনি। তবে কারখানা চত্বরে থাকা বেশ কয়েকটি যানবাহন আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ঘটনার পর পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে উদ্ধার ও তল্লাশি কার্যক্রম চালায়। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে।
```0

নিউজটি আপডেট করেছেন : দেশ বাংলা টিভি ডেক্স

কমেন্ট বক্স
মৃত্যু চিন্তাই মানুষকে সত্যিকারের সৎ মানুষ করে তুলে
আমি ত আমিই,  আমার যত্ন নিলেই ত সব হয়ে যায়। 
আমি কে?
‎হয়তো, আমি কোনো নাম নয়, কোনো দেহ নয়, কোনো পরিচয়ও নয়, বরং এক অনন্ত চেতনার ক্ষুদ্র প্রকাশ,
যা,জন্ম,মৃত্যু,লাভ,ক্ষতি,সুখ,দুঃখ,সবকিছুর ঊর্ধ্বে থেকে নিজেকেই খুঁজে বেড়ায়।