ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ADVERTISEMENT AREA

ফকিরহাটে চেতনানাশকের প্রভাবে অবসরপ্রাপ্ত এসআইয়ের মৃত্যু

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 9, 2026 ইং
ফকিরহাটে চেতনানাশকের প্রভাবে অবসরপ্রাপ্ত এসআইয়ের মৃত্যু ছবির ক্যাপশন: ফকিরহাটে চেতনানাশকের প্রভাবে অবসরপ্রাপ্ত এসআইয়ের মৃত্যু
বাগেরহাট সংবাদদাতা :
বাগেরহাটের ফকিরহাটে একটি বাড়িতে চুরির ঘটনার পর অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন এক অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা। বুধবার গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা বাড়িতে চেতনানাশক পদার্থ প্রয়োগ করে স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন মালামাল চুরি করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই কর্মকর্তার স্ত্রীও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার বেতাগা এলাকার বাড়ি থেকে অচেতন অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করা হয়। পরে খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মো. হাফিজুর রহমান শিকারী (৭৭) নামের ওই অবসরপ্রাপ্ত উপপরিদর্শককে (এসআই) মৃত ঘোষণা করেন। রাতে পুলিশ তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত হাফিজুর রহমান বেতাগা এলাকার মৃত ইজার উদ্দিন শিকারীর ছেলে। তাঁর স্ত্রী নুরজাহান বেগম রিনা (৬৮) বর্তমানে অসুস্থ। তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৭ অক্টোবর) দিবাগত রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা বাড়িতে প্রবেশ করে চেতনানাশক পদার্থ প্রয়োগ করে থাকতে পারে। এরপর ঘর থেকে স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে যায় তারা।

পরদিন বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে স্থানীয়রা বাড়িতে গিয়ে স্বামী-স্ত্রীকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাঁদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসক হাফিজুর রহমানকে মৃত ঘোষণা করলে তাঁর মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।

ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ দেখতে পায়, ঘরের বিভিন্ন মালামাল এলোমেলো অবস্থায় পড়ে রয়েছে। একটি জানালাও খোলা ছিল। বাড়িটিতে ওই দম্পতি বসবাস করতেন। তাঁদের একমাত্র ছেলে নুরুল ইসলাম রিপন চাকরির কারণে ঢাকায় থাকেন।

খবর পেয়ে ফকিরহাট মডেল থানা পুলিশ, অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ফকিরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রজিউল্লাহ খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া নেওয়া হয়েছে। আইনি কার্যক্রম শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

ওসি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে চেতনানাশক পদার্থ প্রয়োগ করে চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর প্রভাবে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনার তদন্ত চলছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : দেশ বাংলা টিভি ডেক্স

কমেন্ট বক্স
মৃত্যু চিন্তাই মানুষকে সত্যিকারের সৎ মানুষ করে তুলে

আমি কে?

‎হয়তো, আমি কোনো নাম নয়, কোনো দেহ নয়, কোনো পরিচয়ও নয়, বরং এক অনন্ত চেতনার ক্ষুদ্র প্রকাশ,
যা,জন্ম,মৃত্যু,লাভ,ক্ষতি,সুখ,দুঃখ,সবকিছুর ঊর্ধ্বে থেকে নিজেকেই খুঁজে বেড়ায়।