ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ADVERTISEMENT AREA

ভূঞাপুরে দুই সাংবাদিকের ঘটনায় নতুন মোড় শ্রমিকদল নেতার সহযোগী গ্রেফতার

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 27, 2026 ইং
ভূঞাপুর থানা ছবির ক্যাপশন: ভূঞাপুর থানা
আখতার হোসেন খান, ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: 

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে দুই সাংবাদিকের ঘটনা নতুন মোড় নিয়েছে। গ্রেফতার করা হলো শ্রমিক দলনেতার সহযোগী। 

বিয়ে বাড়িতে মারধর, জিম্মি করে অর্থ আদায় ও তিনটি আইফোন নিয়ে নেয়ার অভিযোগে করা মামলায় দুই সাংবাদিককে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় নতুন মোড় নিয়েছে। এবার এ ঘটনায় ভূঞাপুর পৌর শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার জাহাঙ্গীর হোসেন হৃদয়ের সম্পৃক্ততার অভিযোগ সামনে এসেছে। ভুক্তভোগীর অভিযোগের পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজেও তাঁর উপস্থিতি রয়েছে।

 এরই মধ্যে রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে হৃদয়ের সহযোগী হিসেবে পরিচিত সিয়াম (২১)কে গ্রেপ্তার করেছে ভূঞাপুর থানা পুলিশ। অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার ফকিরপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে  আদালতে পাঠানো হয়।

গ্রেফতার হওয়া সিয়াম  উপজেলার ফকির পাড়া এলাকার খন্দকার কাদেরের ছেলে।

পুলিশের ভাষ্য, তদন্তে অর্থ আদায়সহ ঘটনার বিভিন্ন পর্যায়ে সিয়ামের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, সিসিটিভি ফুটেজে জাহাঙ্গীর হোসেনকে দেখা গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশের একাধিক সূত্র। তবে ঘটনায় কার কী ভূমিকা ছিল, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষা রয়েছে।

মামলার বাদী ধনবাড়ী উপজেলার বালাসূতি গ্রামের মো. রফিকুল ইসলামের ছেলে কলেজছাত্র মাহিন (২২)। তাঁর লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৮ অক্টোবর বন্ধুর সঙ্গে এক তরুণীর বিয়ের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে বিরোধের সূত্রপাত হয়। পরে তাঁকে ও তাঁর বন্ধুদের আটকে রেখে টাকা আদায় এবং মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ১০ অক্টোবর ভূঞাপুর থানায় সাংবাদিক হাদি চকদার, আরিফুজ্জামান তপু ও অজ্ঞাতনামা পাঁচ-ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন মাহিন। পরে ১৩ অক্টোবর টাঙ্গাইলের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে দুই সাংবাদিককে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

পুলিশের একাধিক সূত্রের দাবি, সিসিটিভি ফুটেজসহ বিভিন্ন তথ্য পর্যালোচনা করে ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত রোববার রাতে সিয়ামকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ফকিরপাড়া এলাকার খন্দকার কাদেরের ছেলে।

জানতে চাইলে ভূঞাপুর থানার ওসি এ কে এম রেজাউল করিম বলেন, টাকা তোলার সময় সিয়াম ভুক্তভোগীদের মোটরসাইকেলে করে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গেছেন। এ ছাড়া, আগে গিয়ে কক্ষ খুলে দেয়া এবং পাসওয়ার্ড আদায়ের জন্য ভুক্তভোগীদের চড়-থাপ্পড় মারার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। 

তিনি আরও বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে জাহাঙ্গীর হোসেনকে দেখা গেছে। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে। তদন্ত নিজস্ব গতিতে এগোচ্ছে। এ মুহূর্তে বিস্তারিত কিছু বলতে চাই না। তদন্ত কোন দিকে মোড় নেয়, তা সময়ই বলে দেবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : দেশ বাংলা টিভি ডেক্স

কমেন্ট বক্স
মৃত্যু চিন্তাই মানুষকে সত্যিকারের সৎ মানুষ করে তুলে

আমি কে?

‎হয়তো, আমি কোনো নাম নয়, কোনো দেহ নয়, কোনো পরিচয়ও নয়, বরং এক অনন্ত চেতনার ক্ষুদ্র প্রকাশ,
যা,জন্ম,মৃত্যু,লাভ,ক্ষতি,সুখ,দুঃখ,সবকিছুর ঊর্ধ্বে থেকে নিজেকেই খুঁজে বেড়ায়।