ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ADVERTISEMENT AREA

বগুড়ার পুলিশ পরিচয়ে ১০২ ভরি স্বর্ণ ছিনতাই, গ্রেপ্তার - ৪

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 28, 2026 ইং
পুলিশ পরিচয়ে ১০২ ভরি স্বর্ণ ছিনতাই, গ্রেপ্তার ৪ ছবির ক্যাপশন: পুলিশ পরিচয়ে ১০২ ভরি স্বর্ণ ছিনতাই, গ্রেপ্তার ৪
 মোঃ স্বাধীন খান, বগুড়া জেলা প্রতিনিধি: 

বগুড়ার শিবগঞ্জে পুলিশ পরিচয়ে এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীর প্রতিনিধির কাছ থেকে ১০২ ভরি ১২ আনা স্বর্ণ ছিনতাইয়ের ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় ছিনতাই করা স্বর্ণ বিক্রির ৮৮ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

বগুড়া জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার বিশেষ অভিযানে পঞ্চগড়, দিনাজপুর ও জয়পুরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বগুড়া শহরের গালাপট্টি এলাকার একজন স্বর্ণ ব্যবসায়ী গত ৫ অক্টোবর সকাল ১১টার দিকে তাঁর খালাতো ভাই বাপ্পি হোসেনের মাধ্যমে ২৪ ক্যারেটের ১০টি স্বর্ণের বার জয়পুরহাটে পাঠান। এসব স্বর্ণের মোট ওজন ছিল ১০২ ভরি ১২ আনা।

পরে বেলা ১২টা ৫ মিনিটের দিকে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলা-জয়পুরহাট সড়কের উথলি এলাকায় পৌঁছালে কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে বাসটি থামান। এরপর বাপ্পি হোসেনকে জোর করে বাস থেকে নামিয়ে মারধর করে তাঁর কাছে থাকা স্বর্ণের বার ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

 পরে তাঁকে আহত অবস্থায় শিবগঞ্জ উপজেলার গুজিয়া হাটের মণ্ডলপাড়া এলাকার একটি ফাঁকা জমিতে ফেলে রেখে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়েরের পর শিবগঞ্জ থানায় ২৭ অক্টোবর একটি মামলা করা হয়। মামলাটির এফআইআর নম্বর ৩৩। এতে দণ্ডবিধির ১৭০ ও ৩৯৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

বগুড়ার পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ পিপিএমের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল অভিযান শুরু করে। ডিবির এসআই মো. জাহাঙ্গীর করিব ও এসআই মোহাম্মদ ফজলুল হকের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে প্রথমে দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার দক্ষিণ বাসুদেবপুর এলাকার সাদিকুল ইসলামকে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার তিরনইহাট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরে সাদিকুলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হাকিমপুর উপজেলার মহিলা কলেজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে স্বর্ণ বিক্রির ২৯ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়।

পরবর্তী সময়ে গ্রেপ্তার দুজনের দেওয়া তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার ভীমপুর এলাকা থেকে রবিউল ইসলাম এবং বালিঘাটা বাজার এলাকার আসাদুজ্জামান শাহিদকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার দক্ষিণ বাসুদেবপুরে সাদিকুলের বাড়ি থেকে আরও ১৮ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার বড়মানিক গ্রামে আসাদুজ্জামান শাহিদের গরুর খামারের অফিসকক্ষ থেকে ৪১ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে স্বর্ণ বিক্রির মোট ৮৮ লাখ টাকা জব্দ করা হয়েছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে মাদক, বিশেষ ক্ষমতা আইন ও মারামারিসহ ১০টি মামলা রয়েছে। অন্যদিকে রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য-সংক্রান্ত তিনটি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য কেউ রয়েছে কি না এবং ছিনতাই হওয়া স্বর্ণের বিষয়ে আরও তথ্য উদ্‌ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে কি না, সে বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনে তা যুক্ত করা যাবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : দেশ বাংলা টিভি ডেক্স

কমেন্ট বক্স
মৃত্যু চিন্তাই মানুষকে সত্যিকারের সৎ মানুষ করে তুলে

আমি কে?

‎হয়তো, আমি কোনো নাম নয়, কোনো দেহ নয়, কোনো পরিচয়ও নয়, বরং এক অনন্ত চেতনার ক্ষুদ্র প্রকাশ,
যা,জন্ম,মৃত্যু,লাভ,ক্ষতি,সুখ,দুঃখ,সবকিছুর ঊর্ধ্বে থেকে নিজেকেই খুঁজে বেড়ায়।