ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ADVERTISEMENT AREA

ময়মনসিংহে ছেলেকে জিম্মি করে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ, আটক এক

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Sep 19, 2026 ইং
প্রতিকী ছবি ছবির ক্যাপশন: প্রতিকী ছবি
নিজস্ব প্রতিনিধি:
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তার মাকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। একই ঘটনায় ওই বাড়িতে ভাঙচুর, টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট এবং ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে অর্থ দাবির অভিযোগও পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় রাজীব নামে ২৩ বছর বয়সী এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার একটি এলাকায় এক প্রবাসীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে বলে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

পুলিশ ও মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রাতে পাঁচ যুবক ওই বাড়িতে গিয়ে প্রথমে পানি ও কুড়াল চান। বাড়ির নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী পানি নিয়ে দরজার কাছে গেলে তাকে অস্ত্র দেখিয়ে জিম্মি করা হয়। পরে অভিযুক্তরা ঘরে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালান বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ সময় বাড়িতে নির্মাণকাজের জন্য রাখা প্রায় পাঁচ লাখ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। এরপর ওই নারীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

ভুক্তভোগী নারীর দাবি, ঘটনার সময় রাজীব নামে একজন মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন। পরে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে আরও দুই লাখ টাকা দাবি করা হয়।

একপর্যায়ে তাদের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান শুরু করে। পরে রাত ৩টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরের একটি নির্জন এলাকা থেকে রাজীবকে আটক করা হয়। এ সময় অন্যরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

পুলিশ জানিয়েছে, আটকের সময় ভিডিও ধারণে ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি রাজীব পানিতে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে সেটি উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশের দাবি।

ভুক্তভোগীর এক স্বজন জানান, বড় মেয়ের বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর ওই নারী নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলেকে নিয়ে বাড়িতে থাকতেন। তার অভিযোগ, ছেলেকে জিম্মি করে মায়ের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গফরগাঁও সার্কেল) মনতোষ বিশ্বাস জানান, ওই নারী পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। তার অভিযোগ অনুযায়ী, তাদের মধ্যে দুজন ধর্ষণে জড়িত ছিলেন এবং বাকিরা বাইরে অবস্থান করছিলেন। এছাড়া ছেলেকে জিম্মি, বাড়িতে ভাঙচুর ও টাকা-পয়সা নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।

তিনি বলেন, একজনকে আটক করা হয়েছে। অভিযোগের প্রতিটি বিষয় তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মেডিক্যাল রিপোর্টসহ অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত যাচাইয়ের পর ঘটনার প্রকৃত চিত্র নিশ্চিত হওয়া যাবে। ভিডিও ধারণের অভিযোগও তদন্তের আওতায় রয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং পলাতকদের আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : দেশ বাংলা টিভি ডেক্স

কমেন্ট বক্স
মৃত্যু চিন্তাই মানুষকে সত্যিকারের সৎ মানুষ করে তুলে
আমি ত আমিই,  আমার যত্ন নিলেই ত সব হয়ে যায়। 
আমি কে?
‎হয়তো, আমি কোনো নাম নয়, কোনো দেহ নয়, কোনো পরিচয়ও নয়, বরং এক অনন্ত চেতনার ক্ষুদ্র প্রকাশ,
যা,জন্ম,মৃত্যু,লাভ,ক্ষতি,সুখ,দুঃখ,সবকিছুর ঊর্ধ্বে থেকে নিজেকেই খুঁজে বেড়ায়।