ঢাকা | বঙ্গাব্দ
🔴 প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে
📰 দেশ বাংলা টিভি নিউজে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে • অভিজ্ঞ ও আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন করার আহ্বান • 📞 যোগাযোগ: 01731-038330 • সীমিত সময়ের জন্য আবেদন গ্রহণ চলছে • আজই আবেদন করুন
📝 আবেদন করুন

খুলনায় ১২ দিনে ৭ খুন, রূপসার নদীর চর থেকে মিলল দুই গুলিবিদ্ধ লাশ

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Nov 3, 2026 ইং
প্রতিকী ছবি ছবির ক্যাপশন: প্রতিকী ছবি
স্টাফ রিপোর্টার:
খুলনা মহানগরী ও জেলায় একের পর এক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে। এরই মধ্যে রূপসা উপজেলার আঠারোবেকি নদীর চর থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। 

গত ১২ দিনে খুলনা অঞ্চলে সাতটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। ধারাবাহিক এসব সহিংসতায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার আইচগাতি ইউনিয়নের সিংহের চর এলাকায় নদীর চরে মরদেহ দুটি দেখতে পান স্থানীয়রা। প্রথমে একটি মরদেহ চোখে পড়লেও নদীর পানি কমে যাওয়ার পর দ্বিতীয় মরদেহের সন্ধান পাওয়া যায়। পরে রূপসা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় মরদেহ দুটি উদ্ধার করে।

নিহতরা হলেন মেহেদী হাসান (৩৫) ও রেজাউল করিম (৩০)। পুলিশ জানিয়েছে, তারা খুলনার আলোচিত অপরাধী রনি চৌধুরী ওরফে গ্রেনেড বাবুর নিয়ন্ত্রণাধীন ‘বি-কোম্পানি’ নামের একটি সন্ত্রাসী গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মেহেদীর বাড়ি রূপসার রাজাপুর এলাকায়। তার বাবার নাম আব্দুল্লাহ। একসময় তিনি জেলখানা ঘাট এলাকায় নৌকার মাঝি হিসেবে কাজ করতেন। ছেলের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক যোগাযোগ কম ছিল বলে জানিয়েছেন তার বাবা।

রূপসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান জানান, উদ্ধার করা দুই যুবকের শরীরেই গুলির চিহ্ন রয়েছে। মেহেদীর ভ্রুর পাশে এবং রেজাউলের থুতনির নিচে ও পিঠে একাধিক গুলির ক্ষত পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অন্য কোথাও হত্যার পর মরদেহ দুটি নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

এদিকে খুলনায় সাম্প্রতিক সময়ে হত্যাকাণ্ডের পাশাপাশি গুলিবর্ষণ ও হামলার ঘটনাও বেড়েছে। এর আগে রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীর রায়েরমহল এলাকায় নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নিহত হন মহানগর তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির। এর আগের রাতে লবণচরা এলাকার সড়ক থেকে এক অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ছাড়া ২২ অক্টোবর নগরের পূর্ব বানিয়ামারা এলাকায় এক যুবক এবং জিন্নাহপাড়া এলাকায় এক গৃহবধূ গুলিতে নিহত হন। ২৪ ও ২৬ অক্টোবর বটিয়াঘাটা, তেরখাদা ও সোনাডাঙ্গাসহ বিভিন্ন এলাকায় গুলিবর্ষণ, হামলা ও হত্যার একাধিক ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় যুবদলের বর্তমান ও সাবেক কয়েকজন নেতাসহ অন্তত পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রাথমিক ধারণা, খুলনায় সাম্প্রতিক সহিংসতার পেছনে অবৈধ অস্ত্র ও মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, পুরোনো বিরোধ এবং অপরাধী গোষ্ঠীগুলোর আধিপত্য বিস্তারের দ্বন্দ্ব ভূমিকা রাখতে পারে। তবে প্রতিটি ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো তদন্তাধীন।

ক্রমাগত হত্যাকাণ্ড ও সশস্ত্র হামলার ঘটনায় খুলনার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, পৃথক ঘটনাগুলোর রহস্য উদঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : দেশ বাংলা টিভি ডেক্স

কমেন্ট বক্স
মৃত্যু চিন্তাই মানুষকে সত্যিকারের সৎ মানুষ করে তুলে

আমি কে?

‎হয়তো, আমি কোনো নাম নয়, কোনো দেহ নয়, কোনো পরিচয়ও নয়, বরং এক অনন্ত চেতনার ক্ষুদ্র প্রকাশ,
যা,জন্ম,মৃত্যু,লাভ,ক্ষতি,সুখ,দুঃখ,সবকিছুর ঊর্ধ্বে থেকে নিজেকেই খুঁজে বেড়ায়।