ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ADVERTISEMENT AREA

উপজেলা নির্বাচনে পোস্টার-মিছিল নিষিদ্ধ, এআই অপপ্রচারেও নিষেধাজ্ঞা

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Sep 7, 2026 ইং
উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ছবির ক্যাপশন: উপজেলা পরিষদ নির্বাচন
নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে নতুন আচরণবিধি জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। 

নতুন বিধিমালায় নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহার, মিছিল-শোডাউন ও আকাশযান ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর বা বিদ্বেষপূর্ণ কনটেন্ট প্রচারেও বিধিনিষেধ রাখা হয়েছে।

৩ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত ‘উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালা-২০২৬ গেজেট আকারে জারি করা হয়। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী বা তাঁর পক্ষে অন্য কেউ নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহার করতে পারবেন না। ভবন, দেয়াল, গাছ, বেড়া, বিদ্যুতের খুঁটি, সরকারি স্থাপনা, সেতু ও কালভার্টসহ বিভিন্ন স্থানে প্রচারসামগ্রী ব্যবহারের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ থাকবে।

তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচনের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত প্রকাশ্য মিছিল বা শোভাযাত্রা করা যাবে না। ট্রাক, বাস, মোটরসাইকেল, নৌযান কিংবা ট্রেন ব্যবহার করেও মিছিল করার সুযোগ থাকছে না। নির্বাচনী প্রচারণায় হেলিকপ্টার বা অন্য কোনো আকাশযান ব্যবহারের ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রচারণার সুযোগ রাখা হয়েছে। প্রচারণা শুরুর আগে কোন কোন মাধ্যম ব্যবহার করা হবে, সে বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে তথ্য দিতে হবে। ডিজিটাল প্রচারণায় ব্যয় হওয়া অর্থও নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাবের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হবে।

এবারের আচরণবিধিতে এআই ব্যবহারের বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। এআই বা অন্য কোনো ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর, বিদ্বেষপূর্ণ কিংবা ব্যক্তিগত আক্রমণমূলক কনটেন্ট তৈরি ও প্রচার করা যাবে না। নির্বাচনী পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে এমন ভুয়া বা বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট প্রচারের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া ভোটারদের প্রভাবিত করতে অর্থ, খাবার, পানীয় বা উপহার দেওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ধর্মীয় উপাসনালয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি অফিসে নির্বাচনী প্রচারণা চালানো যাবে না। ধর্মের অপব্যবহার, পেশিশক্তির ব্যবহার এবং প্রার্থীর বিরুদ্ধে কুৎসা বা চরিত্রহননমূলক প্রচারণাও নিষিদ্ধ থাকবে।

সরকারি যানবাহন, প্রচারযন্ত্র বা অন্য কোনো সরকারি সম্পদ ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচারণা চালানো যাবে না। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ রয়েছে।
আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে গুরুতর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করতে পারবে নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি বিধিমালা লঙ্ঘনের জন্য সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের মতে, নতুন আচরণবিধির লক্ষ্য উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করা এবং প্রার্থীদের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা।

নিউজটি আপডেট করেছেন : দেশ বাংলা টিভি ডেক্স

কমেন্ট বক্স
মৃত্যু চিন্তাই মানুষকে সত্যিকারের সৎ মানুষ করে তুলে

আমি কে?

‎হয়তো, আমি কোনো নাম নয়, কোনো দেহ নয়, কোনো পরিচয়ও নয়, বরং এক অনন্ত চেতনার ক্ষুদ্র প্রকাশ,
যা,জন্ম,মৃত্যু,লাভ,ক্ষতি,সুখ,দুঃখ,সবকিছুর ঊর্ধ্বে থেকে নিজেকেই খুঁজে বেড়ায়।